Rokomari.com - রকমারি ডট কম

Rokomari.com - রকমারি ডট কম

by Rokomari.com
Season 1

স্পাই স্টোরিজ : বাস্তব যেখানে গল্পকে হার মানায় । গল্পগ্রাফি । Ratul Khan

তিন গোয়েন্দা, মাসুদ রানা কিংবা শার্লক হোমসের মতো বই তো অনেক পড়েছেন। পড়তে পড়তে হয়তো কখনো অস্ফুটে বলে উঠেছেন, ‘এও কি সম্ভব?’ কিন্তু মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহা তাঁর ‘স্পাই স্টোরিজ’ বইয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন, বাস্তব আরও বেশি শিহরণ জাগানিয়া। ছোটবেলা থেকেই লিবিয়ায় বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা এবং বসবাস। গাদ্দাফির শাসন দেখেছেন খুব কাছ থেকে। ২০১১ সালে শুরু হওয়া লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ এবং তাতে মিডিয়ার ভূমিকার প্রত্যক্ষ সাক্ষী, হয়েছেন এর ভয়াবহতার শিকারও। এগুলোই তাঁর মনে গভীর প্রভাব বিস্তার করে। লিবিয়ায় থাকতে থাকতেই আগ্রহ গড়ে ওঠে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি নিয়ে। পড়াশোনা করতে গিয়ে আবিষ্কার করেন স্পাই জগতের অবিশ্বাস্য সব কাহিনী। নিজের যাপিত জীবন থেকে সময় বের করে সেগুলোকেই মলাটবদ্ধ করেন, যা তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। ‘প্রেসিডেন্ট মুরসি’ নামের এক সংকলনে স্থান পেয়েছে তাঁর দুটি লেখা। আমাদের ‘গল্পগ্রাফি’র এবারের অতিথি মোজাম্মেল হোসেন ত্বোহার গল্প থেকে তাই দর্শক-শ্রোতাদের পাওয়ার আছে অনেক কিছু।

গণিত শিখিয়ে ২৭ লাখ ফলোয়ার | Ratul Khan ‪@MottasinPahloviBUETian

গণিত শিখিয়ে ২৭ লাখ ফলোয়ার | Ratul Khan @MottasinPahloviBUETian ​ শিক্ষার্থীদের কাছে গণিতকে মজার ও উপভোগ্য করে তুলতে যে কজন মানুষ কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের মধ্যে মোত্তাসিন পাহলভীর নাম প্রথম দিকেই আসবে। ছোটবেলায় বাবার কাছে গণিতের নানা রকম কৌশল শিখতে শিখতে ভালোবেসে ফেলেন গণিতকে। এরপর আর থামেননি। নিজে গণিত ভালো করে শিখেছেন, আর সেই শিক্ষাটাই ছড়িয়ে দিতে চান বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম। ফেসবুক, ইউটিউব এবং নিজস্ব ওয়েবসাইট মিলিয়ে বর্তমানে তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ ছাড়িয়ে গেছে! অন্যদের মতো মোত্তাসিনও বিশ্বাস করেন, ভালো করে গণিতটা বুঝতে গেলে আগে বেসিক ক্লিয়ার করে নেয়ার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অন্যদের চেয়ে মোত্তাসিনের স্ট্র্যাটেজি কিছুটা আলাদা। তাঁর মতে, বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে আগে গণিতের মজাটা টের পেতে হবে। তারপর ধীরে ধীরে গভীরতর পর্যায়ে প্রবেশ করতে হবে। তাঁর ছোটদের জন্য লেখা 'গণিতের জেমস বন্ড' এবং 'অঙ্কের জাদুকর' বইগুলো ছোটদের গণিতের প্রতি ভালবাসা বাড়িয়ে দেয়। চাকুরি প্রার্থীদের মধ্যে Magic Math বইটি খুবই জনপ্রিয়। এছাড়াও তিনি নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ইনফিনিটি গণিত, ইনফিনিটি উচ্চতর গণিত, ইনফিনিটি পদার্থবিজ্ঞান, ইনফিনিটি রসায়ন বই লিখেছেন। বর্তমানে স্বল্পমূল্যে সকলের কাছে মানসম্পন্ন শিক্ষা পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ করে চলেছেন গল্পগ্রাফির এবারের অতিথি মোত্তাসিন পাহলভী। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে চাকরি প্রত্যাশী সবার জন্যই এই ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ।

নূর মেহেদীর গল্প, মাধ্যমিকেই যাদের শিক্ষকতার হাতেখড়ি । Rokomari | Ratul Khan

নূর মেহেদীর গল্প, মাধ্যমিকেই যাদের শিক্ষকতার হাতেখড়ি । Rokomari | Ratul Khan বাংলাদেশের স্টুডেন্ট কমিউনিটিতে, বিশেষ করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছে নূর মেহেদী স্যার নামটা বেশ পরিচিত। নাম শুনে চট করেই একজন মানুষের কথা মাথায় আসলেও আসলে তারা দুইজন। একজন পদার্থবিজ্ঞানের মোঃ নূর ই মোস্তফা এবং আরেকজন রসায়নের মোঃ আল মেহেদী। বাবা স্কুলশিক্ষক হওয়ায় মা কখনোই চাননি ছেলেও একই পেশায় আসুক। কিন্তু নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়েই শিক্ষকতার হাতেখড়ি হয় পাড়ার ছোট ছেলেমেয়েদের ইংরেজি পড়ানোর মধ্য দিয়ে। এভাবেই গল্পটা শুরু নূরের। কালের পরিবর্তনে এখন তিনি পদার্থবিজ্ঞানের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক। মেহেদীর গল্পটা একটু ভিন্ন। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় কেমিস্ট্রিকে যমের মতো ভয় পেতেন। দ্বিতীয় বর্ষে এসে এক শিক্ষকের কল্যাণে ভালোবাসা জন্মায় রসায়নের প্রতি, বুঝতে পারেন ছাত্রছাত্রীরা অহেতুক ভয় পায় রসায়নকে। এই বোধ থেকেই ইচ্ছা জাগে রসায়নের প্রতি অমূলক ভয় দূর করে বিষয়টাকে ছাত্রছাত্রীদের কাছে উপভোগ্য করে তুলতে। নূর ২০১১ সাল থেকে শুরু করলেও ২০১৪ সালে এসে যোগ দেন মেহেদী। তারপর থেকেই দুইজন একসাথে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ছাত্রছাত্রীদের জন্য কিছু করার। তাদের হাত ধরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পেরিয়ে দেশ বিদেশের বিভিন্ন নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পা রেখেছে অনেক ছাত্রছাত্রী। শিক্ষকতাই এখন তাদের নেশা এবং পেশা। প্রতিনিয়ত তারা চেষ্টা করে যাচ্ছেন পড়াশোনাকে কিভাবে আরো উপভোগ্য এবং আনন্দদায়ক করা যায়। রকমারির আমন্ত্রণে মোঃ নূর ই মোস্তফা এবং মোঃ আল মেহেদী এসেছিলেন গল্পগ্রাফিতে। তাদের নিজের মুখেই শুনুন তাদের এই শিক্ষক হয়ে ওঠার গল্প।

সত্যিকারের সাফল্য কী? । Mahmudul Hasan Sohag । Tajdin Hassan

যাকে বলা হয় শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াব্যক্তিত্ব; তিনি হলেন মার্কিন পেশাদার মুষ্টিযোদ্ধা মুহাম্মদ আলী। ১৯৪২ সালের জানুয়ারি মাসের ১৭ তারিখ জন্ম নেয়া এই মানুষটি মাত্র আঠারো বছর বয়সে পা রাখেন পেশাদার বক্সিংয়ের জগতে। ক্যারিয়ারের শুরুতেই ১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিকের লাইট হেভিওয়েট ক্যাটাগরিতে তিনি স্বর্ণপদক জিতেছেন। সেটা ছিল মাত্র শুরু, মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি প্রথমবারের মতো হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নেন। সেই ম্যাচ জেতার কিছুদিন পর তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার পূর্বের নাম ছিল ক্যাসিয়াস ক্লে; মুসলমান হওয়ার পর তিনি মুহাম্মদ আলী নাম গ্রহণ করেন এবং বলেন, “ক্যাসিয়াস ক্লে ছিল আমার ক্রীতদাস নাম”। মুহাম্মদ আলীর বৈচিত্রময় জীবনের গল্প তুলে এনেছেন হেনা ইয়াসমিন আলি তার বই "The Soul Of A Butterfly" বইয়ে। এই বই নিয়েই আজকের বইকথা। আজজের এপিসোডে "The Soul Of A Butterfly" বইয়ের আলোকে মুহাম্মদ আলীর চিন্তা চেতনা নিয়ে আলোচনা করেছেন দ্য ডেইলি স্টার এর চিফ বিজনেস অফিসার মো. তাজদীন হাসান। সঞ্চালনায় ছিলেন অন্যরকম গ্রুপের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সোহাগ। যারা ভাবতে পছন্দ করেন তেমন মানুষের জন্য আলোচনাটি হতে পারে যথেষ্ট ভাবনার খোরাক।

একজন হাল্কেনস্টাইন (HulkenStein) এর গল্প। গল্পগ্রাফি। HulkenStein

একজন হাল্কেনস্টাইন (HulkenStein) এর গল্প। গল্পগ্রাফি। HulkenStein বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী এ এস এম আনাস ফেরদৌস। উচ্চ মাধ্যমিকে দিনাজপুর বোর্ডে হয়েছিলেন প্রথম এবং সারাদেশে দ্বিতীয়।মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ স্থান করে নিয়েছিলেন দেশসেরা ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাতালিকার একেবারে প্রথম সারিতে। প্রথমে মেডিকেলে ভর্তি হলেও শেষ পর্যন্ত চলে আসেন বুয়েটে। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু করার চেষ্টা থেকেই একে একে প্রতিষ্ঠা করেছেন হাল্কেনস্টাইন, এজকোর্স এবং কিউএনএ পাবলিকেশনের মতো তিনটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এখন পর্যন্ত পড়িয়েছেন ৩ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থীকে। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রস্তুতির জন্য লিখেছেন এবং প্রকাশ করেছেন ৬০+ বই । তাঁর সিগনেচার উক্তি হলো, মেধাবী নয় জঘন্যরকম পরিশ্রমী হও। গল্পগ্রাফির আজকের পর্বের অতিথি হাল্কেনস্টাইন খ্যাত এ এস এম আনাস ফেরদৌস। জঘন্যরকম পরিশ্রমী হয়ে ওঠার গল্প শুনুন তাঁর নিজের মুখ থেকেই।

একজন মায়া ছড়ানো মানুষের গল্প। গল্পগ্রাফি। Badal Syed

একজন মায়া ছড়ানো মানুষের গল্প। গল্পগ্রাফি। Badal Syed গল্পগ্রাফির আজকের অতিথির নাম সৈয়দ মোহাম্মদ আবু দাউদ। কিন্তু বাদল সৈয়দ নামেই তিনি বেশি পরিচিত। কেবল লেখালেখিই নয়, বিভিন্ন দাতব্য কর্মকান্ডের সাথেও যুক্ত এই মানুষটি। তাঁর সিগনেচার উক্তি হলো "আসুন মায়া ছড়াই"। পেশায় তিনি একজন কর কমিশনার। কাজের চাপ থাকা সত্ত্বেও একে একে নিয়েছেন "পে ইট ফরওয়ার্ড" এবং "অনেস্ট" এর মত মহৎ উদ্যোগ। তার "পে ইট ফরওয়ার্ড" মূলত ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে পড়াশোনার সুযোগ করে দেয়ার কাজ করে। 'অনেস্ট' শপের মাধ্যমে গড়ে তুলছেন উদ্যোক্তা। চাকরি, চ্যারিটেবল কাজের পাশাপাশি লিখে চলেছেন বই। এখন পর্যন্ত উপন্যাস, থ্রিলার, মোটিভেশনসহ বিভিন্ন ধরণের বই লিখেছেন প্রায় ১৬ টি। তাঁর সবথেকে পছন্দের পরিচয় তিনি একজন লেখক। গল্পগ্রাফির গল্পে গল্পে উঠে এসেছে তাঁর লেখার পিছনের অনেক গল্প এবং পাশাপাশি লেখার কিছু নিজস্ব টেকনিক নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। গল্পগ্রাফির এই পর্বে বাদল সৈয়দের জীবন কে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়েছেন সঞ্চালক রাতুল খান।

পায়ে পায়ে ৬৪ জেলা থেকে সুদূর হিমালয় | Babar Ali | Tashfikal Sami | Rokomari

পেশায় ডাক্তার হলেও, আপাদমস্তক তিনি একজন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষ। পাহাড়-পর্বতে চড়ে বেড়ানো তাঁর সবথেকে প্রিয় কাজ। পাহাড়ের প্রতি তাঁর এই ঝোক তৈরি হয়েছিল কৈশোরে সমরেশ মজুমদারের বই পড়ে। পাহাড়ের অনিন্দ্য সুন্দর প্রকৃতি এবং পাহাড়ি জনজীবনের বর্ণনা পড়ে এক দুর্নিবার আকর্ষণ জাগে পাহাড়ের প্রতি। মেডিকেল কলেজে পড়ার সময় থেকে একটু একটু করে স্বপ্নের পথে পা বাড়ানো। বান্দরবানের পাহাড় দিয়ে তাঁর ট্রেকিংয়ে হাতেখড়ি, পরবর্তীতে যাত্রা করেন ভারত-নেপালের হিমালয়ের বিভিন্ন পর্বতে। মাউন্টেনিয়ারিং কোর্স করেছেন ভারতের উত্তরকাশীর নেহরু ইন্সটিটিউট অফ মাউন্টেনিয়ারিং থেকে। পাহাড়ের সাথে সাথে ক্লাইম্বিং, সাইকেল চালানো, কায়াকিং, হাফ ম্যারাথন, ফটোগ্রাফি, স্কুবা ডাইভিং ইত্যাদিও চলছে সমানতালে। সাইকেলে ক্রস কান্ট্রি রাইড সম্পন্ন করেছেন তিনবার।২০১৯ সালে পায়ে হেঁটে ঘুরেছেন দেশের ৬৪ জেলা। দেশ দেখা আর মানুষের সাথে ভাব-বিনিময় ছাড়াও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর জন্য গণসচেতনতা তৈরি করে গেছেন দেশের পথে-প্রান্তরে। সেই ভ্রমণের অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন 'পায়ে পায়ে ৬৪ জেলা'। সম্প্রতি জয় করে এসেছেন হিমালয়ের দুর্গম ‘আমাদাব্লাম’ চূড়া। সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রকৃতিপ্রেমিক ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় এই মানুষটির গল্পে উঠে এসেছে তাঁর অ্যাডভেঞ্চারের নানা দিক।

কিভাবে শিখতে হয় এটা আগে শিখো | Jhankar Mahbub | Ratul Khan | Golpography

বাংলাদেশের তরুণ লেখকদের মধ্য থেকে ঝংকার মাহবুব এর বই আলাদা করা যায় খুব সহজেই। তাঁর লেখার বিষয়গুলোও ব্যতিক্রমধর্মী। কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের মতো কাঠখোট্টা জিনিসকে কীভাবে এ দেশের তরুণদের মাঝে সহজবোধ্য করা যায়, এবং গতানুগতিক শিক্ষাব্যবস্থাকে কিভাবে একটি কার্যকরী ব্যবস্থায় রূপ দেয়া যায় তাই নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। খুব অল্প বয়সেই লেখালেখি শুরু করেন ঝংকার মাহবুব। শুরুটা ছিল বাসার দেয়ালে, বোনদের বইয়ের পাতাতে কিংবা ঘুমন্ত অবস্থায় বাবার শরীরে- আঁকাআঁকি করে। তবে লেখকের অসীম প্রতিভা জোর করে প্রস্ফুটিত করার চেষ্টা পদে পদে বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তারপর? পাঠকসমাজে তাঁর পরিচিতি এখন গৎবাঁধা লেখার বাইরে নতুনত্বের আমেজ এনে দেওয়া তরুণ লেখক হিসেবে। এমন লেখকের জীবন থেকে অনেকটা সময় চুরি করে নিয়েছে বুয়েটের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট। বাকী অংশ কেড়ে নিয়েছে নর্থ ডেকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্সের মাস্টার্স ডিগ্রী। এরপর কাজ করে চলেছেন, নিলসেন কোম্পানিতে সিনিয়র ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে। নিজের কাজের বাইরে ঝংকার মাহবুব নিজেকে পরিচিত করে তুলেছেন, নানান পরিচয়ে। প্রোগ্রামার, উদ্যোক্তা,লেখকসহ নানান পরিচয়। গল্পগ্রাফির আলাপচারিতায় উঠে এসেছে তাঁর জীবনের অজানা অনেক গল্পের পাশাপাশি শিক্ষা ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে তাঁর ভাবনা, ইচ্ছা এবং নানা প্রচেষ্টার কথা।

হুমায়ুন আহমেদকে নিয়েই কেন বই লিখলেন? | Faruque Ahmed | Ratul Khan | Golpography

ফারুক আহমেদ বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান নাট্যকার এবং অভিনেতা। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ে পড়াকালীন সময়ে মঞ্চে অভিনয় দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে ঢাকা থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত হন। প্রায় ৪০ বছর ধরে তিনি থিয়েটারের সাথে যুক্ত আছেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বারো রকম মানুষ নাটকে ‘রসিক লাল’ নামের এক নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সারাদেশে পরিচিতি লাভ করেন। এর কিছুদিন পরই তিনি হুমায়ূন আহমেদের নজরে আসেন এবং অভিনয় করেন তার পরিচালিত অচিন বৃক্ষ নাটকে। এরপর তিনি স্বাধীন খসরু ও ডা. এজাজুল ইসলামের সাথে তারা তিন জন নামে হুমায়ূন আহমেদের ব্যপক জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করেন। হুমায়ুন আহমেদের নাটকের একজন নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। অভিনয় ছাড়া ফারুক আহমেদ লেখালেখিও করেন। কাল সাপের দংশন, উচ্চ বংশ পাত্র চাই, ডিগবাজি, দুই বাসিন্দা ও পানি পড়াসহ বেশ কিছু নাটকের চিত্রনাট্য লিখেছেন এবং বদরাগী বদরুল ও হাউ মাউ খাও নামে দুটি নাটক পরিচালনাও করেছেন। খুব শীঘ্রই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে তাঁর লেখা ‘স্মৃতিতে হুমায়ুন আহমেদ’ বইটি।

একজন জীবনমুখী লেখকের গল্প | Asadujjaman Jibon | Ratul Khan | Rokomari

মানুষ বাঁচে অনিশ্চিত এক সময়ের মধ্য দিয়ে। সে জানেনা, তার ভবিষ্যত কত'টা আনন্দের অথবা কত'টা বেদনার। এই না জানা ভবিষ্যতকে মানুষ তার পুরাতন অভিজ্ঞতা দিয়ে কল্পনা করতে করতে ভেতরে ভাংতে থাকে। সে ধরেই নেয়, তার জীবন সুন্দর নয়। অথচ, মানুষ চাইলেই তার জীবনকে সুন্দর করতে পারে। এর জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরী হলো সবকিছুকে সহজভাবে গ্রহণ করা, নিজেকে নতুন ভাবে তৈরী করা। ঘুরে দাঁড়ানো। নতুন করে শুরু করে। মূলত মানুষের আত্মার উন্নয়ন ঘটলেই মানুষের জীবন সুন্দর হয়। জীবনের এমন সহজ দর্শনেই বিশ্বাসী আসাদুজ্জামান জীবন, একজন জীবনমুখী লেখক। আজকের গল্পগ্রাফির আলোচনায় শুনুন জীবন নিয়ে আসাদুজ্জামান জীবনের সাধারণ অথচ অসাধারণ উপলব্ধি।
3 of 13